সুহাইল : বিবাহের দিন তারিখ হওয়ার পর থেকে নিয়ে প্রথম বিবাহের পর যে খুশী মাটিতে মিশে যাচ্ছিল তা দ্বিতীয় বিবাহর পর আগের চেয়েও বেশী আনন্দ নিয়ে ফিরে এলো ৷ কেননা এখন দুই খুশী জমা হলো ! দুলহান : কথা আপনারটাই ঠিক ৷ তবে দুই খুশী দ্বারা কি উদ্দেশ্য? সুহাইল : এক হল, আপনার হেদায়াতের খুশী ৷ আরেকটা হল, বিবাহ দোহরানোর পর ইবনে কাইয়্যিম এর বর্ণিত তরীকার অভিজ্ঞতা | দুলহান : হককে মেনে নেয়া জান্নাতীদের আলামত ৷ আর হক জেনেও প্রশ্ন উত্থাপন করা জাহান্নামীদের চিহ্ন ৷ কিন্তু একটি বিষয় জানার ছিল ! সুহাইল : একটা নয়, হাজার কথা জিজ্ঞাসা করুন!
দুলহান : আমার জানা আছে যাদের সাথে আপনার সম্পর্ক তারা একেক জন ইলমের পাহাড় ৷ তাদের কাছে যদি লাখো প্রশ্নও করা হয় তথাপি এক মজলিসেই সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে ! : কি বললেন! কি বললেন! youn : @. হা ৷ ঠিকই বলছি ৷ গায়রে মুকাল্সিদদের tam yoo মুহাদ্দিস মুফাস্গির ও মুনাযিররা যখন উকাড়বী এর নাম শোনেন তখন তাদের যুখ দিয়ে আর কথা বের হয় না! কলম দিয়ে আর লেখা বের হয় না৷ কিন্তু জনাব! বলুন তো আপনি তাদের এত বিরোধী কেন?
সুহাইল : বেগম! আপনি ভুল বুঝেছেন! আমি শুধু আহলে হাদীসদের বিরোধী মই ; আমি তো আহলে কুরআমদেরও বিরোধী ৷ বরং লোকদের কথা অনুযায়ী শাইথুল কুরআনের দল ইশাআতুত্ তাওহীদ ওয়াস সুন্নাহ এরও বিরোধী৷ দুলহান : (চট করে বলে উঠল) আহলে হাদীসরাও তো আহলে কুরআন বিরোধী সুহাইল : কেন? কুরআন কি কোন খারাপ জিনিস? দুলহান : আসলে কুরআন তো কোন খারাপ জিনিস নয়, কিন্তু তারা কুরআনের নাম নিয়ে কুরআমের উপরই মিথ্যারোপ করে এবং তাকে আড় বানিয়ে হাদীস অস্বীকার করে ৷ সুহাইল : বাসূ, বাসং এই কারবারই করেছে আহলে হাদীসরা ৷ হাদীসের নাম নিয়ে হাদীসের উপর মিথ্যারোপ এবং হাদীসকে আড় বানিয়ে ফিকহ অস্বীকার করেছে ৷ দুলহান : বাস্তুবেই আপনার গোস্বা ঠিক আছে৷ তবে "ইশাজতুত্ তাওহীদ ওয়াসসুর্লাহ" আবার কোন বিপদ! seite : প্রাণ আমার! এটাও গায়রে যুকাল্পিদদেরই একটি শাখা ৷ তবে জন সাধারণকে ধোকা দেয়ার লক্যে নিজেদেরকে দেওবন্দী লেখে এবং নিজেদেরকে দেওবন্দী বলে পরিচয় দেয় ৷ দুলহান : (হতভদব হয়ে জিজ্ঞেস করল) কী! এরা দেওবন্দী নয়? সুহাইল : বিলকুল ন্য! দেওৰন্দী তো দূরের কথা এরা আহলে সুন্নাত ওয়াল থেকেও থারেজ ! দুলহান : তা আবার কেনঃ

সুহাইল : এরা কুরআন হাদীসের নাম নিয়ে মিথ্যা বলে এবং আহলে সুব্লাহর ঐকামতের আকীদা সমুহকে অস্বীকার করে৷ বেগম! শুনুন ! আহলে সুন্নাহ এর আকীদা হল, নবীগণ স্বীয় কবরে স্বশরীরে রূহসহ হায়াতে রয়েছেন বিশেষ করে সাইয়্যেদুল আছিয়া সানপাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৷ যদি কোন মুসলমান রওখায়ে আকদাস হতে দূরে থেকে দরূদ ও সালাম পড়ে তাহলে ফেরেশতাগণ তাকে নৰী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে পেশ করেন ৷ আর কেউ রওযার পাশে হাযির হয়ে দরদও সালাম পেশ করে তাহলে তিনি সরাসরি তা অবণ করেন৷ দুলহান : আহলে সুন্নাহ এর এই আকীদা কি কুরআন হাদীস দ্বারা প্রমাণিতঃ সুহাইল : জ্রী.হা আহলে সুন্নাহর চার মাযহাবের উলামায়ে কেরাম এই ব্যাপারে একমত ৷ যদি দিলের তাসাল্পী চান তাহলে আল্লামা খলীল আহমদ সাহারানপুরী এর "আল মুহায্লাদ আলাল মুফারীদ" অর্থাৎ আকায়েদে উলামায়ে দেওবন্দ এবং মুফতী আঃ শাকুর এর খোলাসায়ে আকায়েদে উলামায়ে দেওবন্দ অধ্যয়ন করুন; যদি বিস্তারিত জানতে চান তাহলে ইমামে আহলে সুব্লাহ হযরত মাও মুহাম্মদ সারফরায খান সফদার এর "তাসকীনুস সুদুর" অধ্যয়ন করুন৷ ইনশাআল্লাহ বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে স্পষ্ট হয়ে যাবে ৷ আর মাও মুর মুহাম্মদ তিউনাসী এর কিতাব কবর কী যিন্দেশী এবং "আযাবে কবর কী সহীহ সুরত কে মুনকের কী শরয়ী হকুম"ও অধ্যয়নে রাখবেন৷ দুলহান : তারাতো বলে যে, আমাদের আকীদার স্বপক্ষে কুরআনে কারীমের সত্তরটি আয়াত এবং আঠারো শ হাদীস আছে ৷ সুহাইল : জ্রী, বেগম! গায়রে মুকাল্পিদদের মিথ্যুক হওয়াটা যেমনিভাবে দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট হয়ে গেছে তাদের মিথ্যুক হওয়াটাও ইনশাআল্লাহ পূর্ণিমার টাদের ন্যায় স্পষ্ট হয়ে যাবে ৷ আমরা তাদের নিকট বহুবার চেয়েছি যে, শুধু মাত্র একটি আয়াত বা হাদীস পেশ করুন মুহান্কিক সুরী মুফাসসির ও মুহাদ্দিসের ব্যাখ্যাসহ ৷ যা দ্বারা আপনাদের আকীদা প্রমাণিত হবে৷ আজ বিশ বছর পরও তারা সক্ষম হয়নি৷
আমরা তাদের মুখপাত্র মাও, এনায়েতুল্লাহ গুজরাটী এবং আমীর মাও. পঞ্জপীরীকে মুনাযারার চ্যালেঞ্জ দিয়েছি ৷ কিন্তু কেউ তা গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত হয়নি ৷ একবার তাদের আল্লামা আহমদ সাঈদ grom মুনাযারা করেছিল ৷ একটি আয়াতও পেশ করতে পারেনি ৷ ফলে লোকদের খুব গালি ভাগে পেয়েছে ৷ আজকাল আবার তিনি এক কিতাব লিখেছেন ৷ নাম, "কিভাবে মুকাদ্দাস আওর মুহাঙ্দেসে বুখারী" ৷ সেখানে তিনি অত্যন্ত অল্নীল ভাষা ব্যবহার করেছেন ৷ ইমাম বুখারীর নাম উচ্চারণে বে-আদবী করেছেন ! জায়গায় জায়গায় এই বলে হাদীস অস্বীকার করেছেন যে, "এই মাসআলাটি কুরআন শরীফে এমন আছে ৷ আর বুখারী মুহাদ্দিস অভিশপ্ত রাবীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কুরআনের খেলাপ বর্ণনা করেছেন ৷ ইত্যাদি ইত্যাদি ৷ (সুহাইল বলতে থাকে !) দুলহান : আসলেই এরা gon পাত্র ৷ ইসলামী হুকুমত থাকলে, বে- আদৰী মূলক লেখনী ও বক্তব্যের কারণে কারও কারও শান্তি হত মৃত্যুদণ্ড ৷ আর কারও কারও শান্তি হত অন্য কিছু ৷ আচ্ছা সারতাজ! তাকলীদ কি জরুরী? আমি তো এখন আহলে হঝু ও আহলে সুন্নাহ এর মাসলাক গ্রহণ করে ফেলেছি ৷ তাই যদিও রাগ আসার মত প্রশ্ন তথাপি বুঝিয়ে বলুন ৷ সুহাইল : রাগ আসাটা স্বাভাবিক ৷ কেননা ইমাম শাফেরী রহ, বলেছেন: "রাগ আসার বিষয়ে যার রাগ আসে না সে গাধা ৷ আর উষর পেশ করলে যে ক্ষমা করে না সে শয়তান |" তবে আপনি যেহেতু হকৃ কথা মেনে নেন তাই আমি রাগ হজম করে ফেলেছি ৷ yore : আচ্ছা! প্রথমে আপনি বলুন তাকলীদ কাকে বলে? yon : তাকলীদ হল কুরআন-হাদীসের মোকাবেলায় অন্য কারা কথা মানা ৷ সুহাইল রাগে : 206 ঞ # হুহ্র যে আপনাকে এই সংজ্ঞা বলেছে তার উপর আল্লাহর লা'নত হোক | দুলহান : তাহলে তাকলীদের সংজ্ঞাটা আপনিই বলুন? সুহাইল : পাগল? শুনুন, কোন আলেমে বা-আমল ও মুস্তাকী- পরহেযগারের উপর আস্থা রেখে ভার কথাকে মেনে নেয়া এই বিশ্বাসে যে
তিনি দলীল ভিত্তিক কথা বলছেন ৷ তবে তার নিকট দলীল চাইতে না যাওয়া ! সাহাৰা রা, ও তাবেযীদের রহ. যুগ হতেই এই ধারা চলে আসছে ৷ হাদীসের প্রসিদ্ধ কিতাব মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক এবং ইমাম আবু হানীফা রহ, এর কিতাবুল আছার' এ হাজারো নয় বরং লাখো এমন ফাত্ওয়া রয়েছে যেখানে প্রশ্নকারী প্রশ্ন করেছে আর সাহাৰী উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নকারী প্রশ্ন করেছে আর তাবেরী উত্তর দিয়েছে ! সেখানে না প্রশ্নকারী দলীল চেয়েছে আর না মুফতী দলীল দিয়েছেন ৷ এই ধারায় উম্মত আজো আমল করে আসছে ৷ একেই বলে 'তাকলীদ' ! দুলহান : তাকলীদের অর্থ যদি এটাই হয়ে থাকে তাহলে জীবনের প্রথম আজ এই অর্থ শোনলাম ৷ তবে সারতাজ! তাকলীদের এই অর্থ তো অভিধানে পাওয়া যায় না৷ অভিধান অনুযায়ী তো তাকলীদের অর্থ গলায় হার পরানো এবং কুকুরের গলায় যে পাষ্টা বাঁধা হয় ! সুহাইল : আপনার অভিধান আপনার কাছেই থাকুক ৷ যদি নেক আমলের ব্যাখ্যা অভিধান দিয়ে করা হয় তাহলে সমস্ত আমল গোল্লায় যাবে৷ দুলহান : তা আবার কিভাবে? সুহাইল : শুনুন! মূর্থদের রুহানী সন্তান শুমুন ৷ ১. নামাযকে আরবীতে 'সালাত' বলে ৷ সালাতের আতিধানিক অর্থ হল, "নিতম্ব হেলানো | আভিধানিক এই অর্থে আজ omor নৃত্যকারীদের সবচেয়ে বড় নামাযী বলা যাবে ৷ যদি নার্গিস এই চ্যলেঞ্জ করে বসে যে, সবচেয়ে বেশী নামায পড়ি আমি ৷ তাহলে তা খণ্ডন করা আহলে হাদীসদের পক্ষে সম্ভব হবে না৷ তাইতো আপনাদের আলেম ইহসানে ইলাহী যহীর, আব্দুল্লাহ রুপড়ী, শামশাদ সালাফী, বদীউদ্দীন thats, nh হুসাইন দেহলভী, গজনভী প্রমূখ আলেমদের রমণীগণ হয়ত সারা জীবন কখনও নামায পড়েন নি৷ তারা যখন মসজিদ হতে এসে জিজ্ঞেস করত নামায? তাদের মহিলাগণ বসে বসেই নিতদ্ব/|]৮5 হেলিয়ে বলে দিত যে পড়ে নিয়েছি ৷ (সূহাইল রাগে বলতে থাকে |) দুলহান : রাত অনেক হয়েছে৷ ক্ষান্ত করুন৷ সামনের রাতে আলোচনা হবে৷ বিবাহর উদ্দেশ্যও তো পুরা করতে হবে! সুহাইল বলল, হলে আজ ইবনে কাইয়যেন এর বর্ণিত তৃতীয় তরীকার পরীক্ষা হয ত পারে বে-নযীর ভুট্টোর কোন বদল পৃথিবীর আলো দেখবে: (উত্ , এরই ছয় ঘন্টা পূর্বে বে-নীর ভুট্টো নিহত হয়েছিল






0 comments:
Post a Comment