অষ্টম রাত

: সুহাইল : আপনার আব্বু, ভাই সবাই গাড়ীতে করে যাচ্ছিল, আপনিও কি আজ তাদের সাথে ছিলেন? দুলহান : হা! একজন শহীদের গায়েবানা জানাযায় শরীক হওয়ার জন্য যাওয়া হয়েছিল ৷ সুহাইল : শহীদের মরদেহ কি ঈদগাহে ছিল? দুলহান : না ৷ সুহাইল : তাহলে এদিকে ঘরেই পড়ে নিতেন ৷ দুলহান : আপনাকে যে কি উত্তর দিব ৷ আপনি তো মিনিটেই নিরুত্তর করে দেন! সুহাইল : এখানে নিরুত্তর করার কোন বিষয় নেই ৷ যখন গায়েবানা-ই পড়তে হবে তাহলে সফর করার এমন কি প্রয়োজন দেখা দিল? বীরে মাউনা এর যুদ্ধে সত্তর জন সাহাবা রা. শহীদ হয়েছিলেন ৷ নবী করীম সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি কারও গায়েবানা জানাযা পড়ে ছিলেনঃ দুলহান : না! 
বিয়ের প্রথম দশ রাত সুহাইল : হয়র সান্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের যামানায় মক্তা, ইয়ামান, বাহরাইনসহ কত জায়গায় কত মুসলমান মৃত্যুবরণ করেন; তিনি কি কারও গায়েবানা জানায়া শড়েছেন? দুলহান : না ৷ সুহাইল : হযরত খুবাইব রা, হযরত যায়েদ ইবনে দাছিনা রা, এবং tom রা, ও তাঁদের অন্যান্য সাথীদেরকে মক্কা ও মক্কার রাস্তায় শহীদ করে দেয়া হয় : নবী করীম সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসান্লাম কি কারও গায়েবানা জানাযা পড়েছেন? দুলহান : না৷ সুহাইল : হুদাইবিয়ার সন্ধি চলাকালীন দুই সাহাবী আবু জান্দাল রা, ও আৰু বাসীর রা, কে ফেরত দেয়া হয়েছিল ৷ তন্মধ্য হতে হযরত আবু বাসীর রা. সমুদ্র উপকূলে ইস্তেকাল করেন ৷ হুযূর সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তার গায়েবানা জানাযা পড়েছিলেন? দুলহান : না yon c gore যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর প্রথম সেনাপতি হযরত যায়েদ বিন হারেছা রা, শাহাদত বরণ করেন ৷ দ্বিতীয় সেনাপতি হযরত জা'ফর ইবনে আৰু তালেব রা. শাহাদত বরণ করেন ৷ অনেক মুসলমানও শহীদ হন ৷ হুযূর সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তাদের গায়েবানা জানাযা পড়েছিলেন? দুলহান : (লজ্জায় আন্তে আন্তে বলে) না, না ৷ সুহাইল : হযরত আবু বকর সিদ্দীক রা. এর যামানায় রাম সম্রাটের সাথে যুদ্ধ হয় ৷ তাতে হযরত ইকরামা রা, ও অন্যান্য সাহাৰীগণ শাহাদত বরণ করেন | তখন কি প্রথম খলীফা ও অন্যরা গায়েবানা জানাযা পড়েছিলেন? কি ব্যাপার বেগম, কথা বলছেন না কেন? হযরত আবু বকর সিদ্দীক রা, এর খেলাফতের আমলে বিভিন্ন শহরে অনেক মুসলমান ইন্তেকাল করেন ৷ কোন কোন যুদ্ধে অনেক অনেক মুসলিম শহীদ হন ৷ বিশেষ করে "মুসায়লামা কায্যাব" এর যুদ্ধে অনেক বীর পুরুষ শাহাদতের শুরা পান করেন ৷ তখনকার খলীফা কি তাদের গায়েবানা জানাযা পড়েছিলেন?  খলীফা হযরত আবু বকর রা. স্বয়ং ইন্তেকাল করেন ৷ মন্কাবাসী, ইয়ামানবাসী, বাহরাইনবাসী বা কোন শহরের মুসলিম আধিবাসীরা কি খলীফার গায়েবানা জানাযা পড়েছিলেন? দুলহান : মাথা ঝুঁকিয়ে বললেন, না৷ সুহাইল : হুযূর সাল্পাল্লাহ আলাইহি ওয়াসান্লাম জীবদ্দশায় মাত্র "fer থেকে সাতাশটি যুদ্ধে শরীক হন৷ যেগুলোতে তিনি শরীক হননি সেগুলোতে শরীক হওয়া শহীদদের কি তিনি গায়েবানা জানাযা পড়েছেন? দুলহান : নরম স্বরে বললেন, না জনাব না ৷ ক্ষান্ত করুন ৷ মাসআলা বুঝে এসে গেছে৷ বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গেছে৷ সুহাইল : এখানেই শেষ নয়, দিতীয় খলীফা হযরত উমর রা.. তৃতীয় খলীফা হযরত উসমান রা.. চতুর্থ খলীফা হযরত আলী রা, এবং ওহী লিখক হযরত মুআবিয়া রা, এর খেলাফতকালে অনেক যুদ্ধ বিরহ হয়েছে ৷ এমন কি ইসলামী হকুমতের সীমান্ত স্থলভাগের এক কিনারা পর্যন্ত পৌছে গেছে৷ এই সব যুদ্ধে অগণিত মুসলমান শাহাদতের শূর পান করে ৷ তখনকার খলীফাগণ কি তাদের গায়েবানা জানাযা পড়েছিলেন? দুলহান : না৷ সুহাইল : তাহলে আপনার বাপ-ভাই কেন গেলেন? দুলহান : বাস সারতাজ! এটা তাদের মাসলাক ৷ তাদের কাজ তারাই জানে ৷ মাসলাকের তো কোন ভিত্তি থাকে ৷ এখানে তো কোন ভিত্তিই দেখছি না ৷ প্রত্যেক বিষয়ের ভিত্তি দেখছি মিথ্যার উপর ৷ (একটু চুপ থেকে বললেন,) সারতাজ! তারা বলে হুযূর সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাৰ্শার বাদশাহ নাজ্জালী এবং 'মু'আবিয়া ইবনে মু'আবিয়া মুযানী এর গায়েবানা জানাযা পড়েছিলেন ৷ আর ইমাম শাফেয়ী রহ, ও গায়েবানা জানাযার পক্ষে ৷ সুহাইল : (রাগে) বদবখ্ত আর মুনাফেকরা সাহাবাগণের দূর্নাম করার চেষ্টা চালাচ্ছে | আরে 'আকল-বুদ্ধি থাকলে একটু চিন্তা কর ৷ যদি নবী করীম সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসান্লাম গায়েবানা জানাযার নির্দেশ দিতেন বা তিনি নিজে তা পড়তেন তাহলে কি সাহাবায়ে কেরাম রা. তা ছাড়তেন? দুলহান: কক্ষনো না কক্ষনো না; 
বিয়ের প্রথম দশ রাত সুহাইল : এটা হল ওই সকল আহমকদের ফয়সালা যাদের 'আমল ভাল বলতে কিছু নেই ৷ দ্বীনী ইলম হতে তাদের হাত একেবারেই খালি; আপনি ফায়সালা করুন৷ এরা সত্যবাদী না সাহাবায়ে কেরাম রা? যদি তাদেরকে সভ্য মানি তাহলে সাহাবাগণের প্রতি অপবাদ চলে আসে ৷ যা কিছুতেই হতে পারে না ৷ কিছুতেই হতে পারে না৷ কোন মুসলমান সাহাবায়ে কেরামগণের প্রতি অপবাদ দিলে এটা তার আকল-বুদ্ধি নষ্ট হওয়ার পরিচায়ক ৷ তারা তো সুন্নাতের অর্থই বোঝে না ৷ সাহাবাগণ রা, তো মেস্ওয়াকের am mum uses প্রস্তুত ছিলেন না৷ এত বড় আমল ছেড়ে দেয়া তো দূরের কথা! আদেরকে পাগল খানায় ঢুকানো দরকার ৷ ঘোড়ার গোশত খেয়ে, উটের পেশাব পান করে আর যনির কুলফি আইসক্রিম চুষে চষে আজ তাদের যুখ হতে সাহাবায়ে কেরাম নিরাপদ নন | এরা তো রাফেযী ও শিয়াদের-ই অন্য প্রকার মনে হয় (সুহাইল রাগে গজরাতে থাকে !) দুলহান : সারতজ! রাগের কথা নয় ৷ দলীলের বিষয় ইতি পূর্বে তো আপনি এমনটি করেননি ৷ বরং তৎক্ষণাত দলীল দিয়ে আমাকে চুপ করিয়ে দিতেন ৷ এখন মনে হচ্ছে আপনার কাছে এর কোন জবাব নেই ! সুহাইল : মুহতারাম! তাদের কাছে কোন মাসআলার-ই দলীল নেই৷ এই মাসআলার আবার দলীল আসবে কোথেকে? এই কাজ তো সাহাবাগণ সারা জীবন করেননি ৷ আর হুযূর সানপাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো জীবনে না কারও গায়েবানা জানাযা পড়িয়েছেন আর না কাউকে তার নির্দেশ দিয়েছেন৷ নাজ্জাশীর রেওয়ায়াত নকলকারী সাহাৰী তিন জন: ১. হযরত আবু হুরায়রা রা. | তাঁর ইন্তেকাল ৫৯ হিজরীতে ৷ কেমন যেন তিনি এই ঘটনার পঞ্চাশ বছর পর পর্যন্ত জীবিত থাকেন ৷ ২, হযরত জাবের রা. | তাঁর ইন্তেকাল ৭৯ হিজরীতে ; কেমন যেন তিনি এই ঘটনার পর ৭০ বছর জীবিত থাকেন! ৩. হযরত ইমরান বিন হুছাইন রা. | তার ইন্তেকাল ৫২ হিজরীতে ৷ সুতরাং তিনি এই ঘটনার পর ৩৭ বছর হায়াত পান৷ এখন তারা কোন সহীহ সনদে প্রমাণ করুক যে এই সব হযরাত তাদের জীবনে একবার হলেও কারো গায়েবানা জানাযা পড়েছেন!! ৫২ 
 আর নাজ্জাশীর এই জানাযা এটা গায়েবাশা জানাযা ছিল না ; বরং এখানে তার এক বিশেষ বৈশিষ্ট প্রকাশ হয়েছে ৷ আক্লামা ওয়াহিদী রহ, "আসবাবুনদুযূল" এ লিখেন: F fsa} ~ ~ aie desis $5 133 ১0৩১ অর্থাৎ ছুযূর সান্পাল্লাহ্ আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য যমীনের পর্দা সরিয়ে দেয়া হয় ৷ তিনি নাজ্জাশীর খাটিয়া দেখছিলেন তাই তিনি তার জানাযা পড়িয়েছেন ৷ সহীহ ইবনে হিব্বান এবং সহীহ আবু আওয়ানা-তে আছে সাহাৰাগণ রা, বলতেন : আমাদের সবাই এটাই বুঝে ছিল যে, জানাযা সামনে রাখা আছে ৷ এটা কি গায়েবানা ছিলঃ এটা কি গায়েবানা ছিলঃ (সুহাইল রাগে বার বার বলে যাচ্ছিল !) দুলহান : সারতাজ! তারা তো বলতো, আমাদের এই দলীল হিমালয়ের চেয়েও মজবুত ৷ পৃথিবীর কোন হানাফীর নিকট তার কোন জবাব নেই৷ কিন্তু আপনি তো একবারেই সুরমা বানিয়ে দিলেন কিন্তু নবী করীম সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো হযরত মুআবিয়া ইবনে মু'আবিয়া মুযানীর জানাযা পড়িয়েছিলেন ৷ তার ইন্তেকাল হয় মদীনাতে ৷ আর নবী করীম সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তবুক সফরে ছিলেন ৷ এটা কি স্পষ্ট দলীল নয়? সুহাইল : বেগম! আপনার 'আকল কাজ করছেনা কেনঃ যে সকল সাহাৰী রা, তবুকে নবী করীম সান্পাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই আমল দেখলেন তারা কি পরবর্তীতে এর উপর আমল করেছেন? দুলহান : না! সুহাইল : এটা কেন? এই ঘটনার রাবী হযরত আনাস রা, ৷ তার ইন্তে am so হিজরীতে ৷ আর এই ঘটনা হয় নবম হিজরীতে ৷ কেমন যেন তিনি এই ঘটনার পর ৮৪ বছর জীবিত থাকেন৷ তিনি এই ৮৪ বছরে কোন সাহাৰী বা গায়রে সাহাৰীর গায়েবানা জানাযা পড়াননি ৷ আর এটাও গায়েবানা ছিল না ৷ রেওয়ায়াতে স্পষ্ট আছে যে, হযরত জিব্রাইল আ, মাটির উপর স্বীয় ডানা মারলেন৷ তখন সমস্ত পাহাড়, পর্বত, টিলা ও গাছ-পালা মাটি বরাবর হয়ে যায় এবং মদীনা শরীফ দৃষ্টিগোচর 
হতে আরম্ভ করে ৷ ৯ - 3.৯ অর্থাৎ খাটিয়া সামনে দৃষ্টিগোচর হচ্ছিল ৷ ওটা দেখেই জানাযা পড়ানো হয় ৷ এক বর্ণনায় আছে৷ যমীন ভাজ করে দেয়া হয় | এটাকে কি গায়েবানা বলে? এটাকে কি গায়েবানা বলে? ইহা কি গায়েবানা? এদিকে ইমাম শাফেয়ী রহ, শহীদের জানাযারই প্রবক্তা নন ৷ আনাযা সামনে থাকলেও পড়ার হকুম নেই৷ গায়ের হলে তো দূরের কথা৷ এটা তার উপর অপবাদ ৷ মিথ্যুকদের উপর আল্লাহর অভিশম্পাত ৷ দুলহান: বাসু জনাব! মাসআলার সমাধান হয়ে গিয়েছে ৷ সুহাইল : না৷ এটাও শোনে নিন, (অন্যথায় পরে আবার জিজ্ঞেস করবেন) তারা পড়ে কেনঃ তাদের কাজ হল আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত যা করে না তাদের তা করা চাই৷ উদাহরণ স্বরূপ: ১. আহলে সুন্নাহর নিকট মুরগীর কুরবানী জায়েয নেই ৷ গায়রে মুকাল্পিদদের নিকট জায়েয ৷ ২. আহলে সুর্লাহ্ ডিমের কুরবানী করে না, জায়েষও বলে না ৷ তারা বলে জায়েয ৷ ৩. আহলে সুন্নাহ ঘোড়ার গোশত খায় al, কুরবানীও করে না তারা করে৷ ৪. আহলে সুদনাহ মনিকে নাপাক ও হারাম বলে, তারা বলে পাক ও হালাল ৷ c. Sige উটের পেশাব পান করে না৷ তাদের নিকট জায়েয! কেননা বুখারী শরীফে আছে 1 ৬. আহলে সুন্নাহ নাভী থেকে নিয়ে ইঁটু পর্যন্ত সতর বলে ৷ তাদের নিকট শুধু ছিদ্র ঢাকলেই যথেষ্ট৷ ৭. আহলে সুন্নাহ এর নিকট পুরুষ ও মহিলার নামাযে পার্থক্য আছে৷ তাদের নিকট কোন পার্থক্য নেই ৷ (কাজেই পুরুষের ন্যায় মহিলারাও দাঁড়ানোর সময় দুই পা দুই দিকে ছড়িয়ে দাড়াবে |) ৮. আহলে সুন্নাহ তাকলীদকে জায়েয বলে৷ তারা বলে হারাম ৷ ৯. আহলে সুন্নাহ পিছনের রাস্তা দিয়ে সঙ্গমকে হারাম বলে ৷ তাদের নিকট এটা পসন্দীয় 'আমল ৷ কেননা বুখারী শরীফে আছে ৷ ১০. আহলে সুন্নাহ তিন তালাককে তিন তালাকই বলে ৷ তারা ইয়াহুদী ও শিয়াদের ন্যায় তিন তালাককে এক তালাক বলে ৷ এমনটি করে কেনঃ তার কোন জবাব নেই ৷ সামনে থেকে আম্যর ঘুম নষ্ট করবে না ৷ তারা হল মুর্ধ ; কুরআন তাদের জবাব দেয়ার নির্দেশ করে না৷ বরং কুরআনের প্রেসক্রিপশন {all Sel 16]; = অর্থাৎ মূর্থরা রাহমানের বান্দাদের সমােধন করলে তথা কটু কথা বললে তারা বলে "সালাম" তথা কোন উত্তর প্রদান করে না ৷ কোন জটিল বিষয়ের উত্তর তো আহলে ইলমদেরকে দেয়া যায় ৷ বিজ্ঞজন যদি অন্য বিজজনের সাথে বহছ ও পর্যালোচনা করে তাহলে তা ভাল লাগে ৷ কোন তেল বিক্রে wel, মুচি ও কর্মকার যদি এম. বি. বি. এস ডাক্তারের সাথে ব্যবস্থাপত্র নিয়ে তর্ক করে তাকে লোকেরা আহমক বলে ৷ (এবং মনে করে যে তার মাথার তার ছিড়ে গিয়েছে |) তেমনিভাবে যদি মুজতাহিদের সাথে গায়রে cote বা মুকাল্পিদের সাথে গায়রে মুকাল্পিদ লড়াই ঝগড়া করে তো দুনিয়া তাকে 'আহমক' বলে ! দুলহান : আপনার ইলমের আর কি প্রশংসা করব! আপনার জ্ঞান- গরিমা আমাকে অভিভুত করেছে | আমি ভাবি আপনাদের হযরত উকাড়ভীর ইলম কি পরিমাণ হবে | যদি চৌদ্দশত শতাব্দীতে হযরত উকাড়ভীর ইলম এত মজবুত হয় তবে খাইরুল কুরূনে আমাদের ইমাম আবু হানীফা রহ, এর ইলমের কি কোন বর্ণনা দেয়া যেতে পারে? সুহাইল : আসলে তাদের তাকলীদ করাটা তাদের হক ও অধিকার ৷ তাছাড়া আমরা এমনিতেই হানাফী হইনি ৷ ইমাম সাহেব রহ, এর ইলম, দলীলের শক্তি, তাক্ওয়া-পরহেযগারী, বুঝ-বুদ্ধিতে পূর্ণতা, ইলমে কুরআন ও হাদীসের উপর দক্ষতা, নাসেখ-মানসূখের ইলম, সাহাবাদের রা. সাক্ষাত এবং তাদের কাছ থেকে রেওয়ায়াত এই সব দেখে আমরা হানাফী হয়েছি ৷ আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহে কেউ ইনশাআল্লাহ কেয়ামত পর্যন্ত আমাদের দলীল খণ্ডন করতে পারবে না ! দুলহান : বাসূ! শেষ করুন ৷ অনেক হয়েছে ৷ আজ কোন পদ্ধতি পরীক্ষ করবেন, তার প্রস্তুতি নিন ৷ এই বলে আজকের মজলিস সমাপ্ত হল৷ 

Share:

0 comments:

Post a Comment

Definition List

Unordered List

Support