শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক রহ. কে নিয়ে মিথ্যা প্রতিবেদন প্রচারের জন্য ক্ষমা চাইলেন যমুনা টিভি


যমুনা টিভির পক্ষে সিইও ফাহিম আহমাদ,বিশেষ প্রতিনিধি মুহসিনুল হাকিম শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক রহ. কে নিয়ে মিথ্যা প্রতিবেদন প্রচারের জন্য ক্ষমা চাইলেন। তিনি শাইখুল হাদীস রহ. পরিবার, ছাত্র, ভক্তবৃন্দের প্রতি তাদের এ ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ভবিষ্যতে এধরনের ভুল করবেন না বলে আশ্বাস্থ করেন। যমুনা টিভি কর্তৃপক্ষ দেশের সকল উলামায়ে কেরাম ও ধর্মপ্রাণ মানুষের নিটও ক্ষমা প্রার্থনা করেন। আজ যমুনা টিভির প্রতিনিধি দলটি শায়খুল হাদীস রহ. পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন। পরিবারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী, মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ, মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহাম্মদ ফয়সাল, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হাফেজ মাওলানা মোস্তাফিজ রাহমানী,সাংবাদিক মুফতি এনায়েতুল্লাহ প্রমুখ।

মাওলানা মাহফুজুল হক দেশবাসীকে উদ্দেশ্য করে বলেন- যেহেতু যমুনা টিভি কর্তৃপক্ষ তাদের ভুলের জন্য ক্ষমা চাইছেন, দু:খ প্রকাশ করেছেন তাই ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী আমরা তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি এবং দেশবাসী, হযরতের ছাত্র ও বক্তদের ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
কপি আল আমিন সংস্থা হাটহাজারী চট্টগ্রাম
Share:

মিজানুর রহমান আজহারী কথন


আজকের বিষয়ঃ  ____<<মাজার পুজারীরা কি আজহারীর বিরুদ্ধে নাকি আহলে হক ওলামায়েকেরামও।
.
আজহারী হুজুরকে নিয়ে আবার লিখতে হবে এটা ভাবিনি।  ফেসবুকটাই আর ভালো লাগেনা। কি হাসির পোস্ট কি ইসলামিক পোস্ট।  😥
.
যায় হোক স্রোতের তালে চললেতো আর হবে না।  আল্লাহ যাকে যে বুঝ দিছেন, সে সেভাবেই চলবে---
.
🌶 ১) সিক্সপ্যাকঃ- নাউজুবিল্লাহ -- আধুনিক বাংলা ইংলিশ শব্দ আমরা  বুঝি ও জানি। রাসুলুল্লাহ সঃ এর দেহ সিক্স প্যাক ছিলো এমন কোন হাদীস নয়।  সিক্স প্যাক তাকে বলে,  পেটে ৪ ভাজ ও বুকে ২ ভাজ বা ভাগ -- এই হলো সিক্স প্যাক -- এটা সাধারনত ব্যায়াম করে বানানো হয়।  
.
উনি যেটাই বুঝাতে চান রাসুলুল্লাহ সঃ এর শানে কথা বলতে হিসেবটা একটু বেশিই করতে হবে।  
সব মানহাজের ওলামা বিষয়টা ভালোভাবে নেন নাই।  আর নবীজির পেটও এমন ছিলো না, যেমনভাবে আজহারি বলেছে। 
.
🌶 ২) খাদিজা রাঃ এর বিষয় ঃ যেটা উনি শব্দচয়ন করেছেন -- তালাক খাইছে, উইডো, ইনটেক্ট শব্দ -- নাউজুবিল্লাহ।  
.
কোন কিছু বোঝানোর ক্ষেত্রে হলেও ভালো নিয়তে হলেও --- উম্মুল মুমিনীন,  রাসুলুল্লাহ সঃ এর প্রথম স্ত্রী,  ফাতিমা রাঃ এর আম্মা --- সম্পর্কে এমন বাচন -- নাজায়েজ। 
এটা ওনার ভুল। আহলে হক সকল মানহাজের ওলামা এটাকে ভালোভাবে নেন নাই।  
.
যদিও আজহারী হুজুর এই বিষয়টি থেকে রুজু করেছেন,  ক্ষমা চেয়েছেন।  
.
🌶৩) তারাবীহঃ-  ২ রাকাতে সারারাত পার করার নতুন থিওরী দিয়ে উম্মাহকে আরো স্বাধীনতা দেওয়া।  এটা ওলামায়েকেরাম ভালোভাবে নেন নাই।  
.
১ম জামানা থেকে আজ পর্যন্ত ২০ রাকাত তারাবীহ।  এরপর আপনি সারারাত পার করেন।  যদিও আহলে হাদীস ৮ রাকাতের কথা বলে।
.
🌶 ৪) মদ খাওয়াঃ-  আলী রাঃ মদ খাওয়া নিয়ে কথাটা সঠিক নয়।  এটা আলী রাঃ এর ব্যাপারে অপবাদ।  আশাকরি এটা থেকেও উনি খুব তাড়াতাড়ি রুজু করবেন।  
.
আলী রাঃ ও উমর রাঃ এর মদ খাওয়ার বিষয় নামাজের আগে এটার কোন সহীহ প্রমান নেই।  আলী রাঃ এর জীবন শুরু থেকেই উত্তম।  উনি খুব অল্প বয়সেই ইসলাম গ্রহন করেন নামাজ ফরজ হওয়ার অনেক আগে।  আর তিনি মদ পান করতেন না।  
.
এটা আজহারীর অন্যায় হয়েছে।  এটা নাজায়েজ।  
সকল মানহাজের ওলামায়েকেরাম ওনার একথা ভালোভাবে নেন নাই।
.
🌶 ৫) আব্বা হালাঃ- উমর রাঃ এর ছেলের ঘটনা --- আব্বা হালা আমি মদ খায় নাই।  এই যে আজহারীর উক্তি।  হালা শব্দটাকি পুরান ঢাকা থেকে মদীনায় ট্রান্সফার হয়েছিলো তখন????? । 
.
এটা ওনার বলা জায়েজ হয় নাই।  অতিরঞ্জিত।  মানুষকে হাসানোর জন্য জায়েজ নাই।  
সকল মানহাজের ওলামায়েকেরাম এটা ভালো ভাবে নেয় নাই।
.
🌶৬) হালা বা সালাঃ-   নাউজুবিল্লাহ।  আল্লাহ হেফাজত করেন।  আল্লাহ,ও  আল্লাহর রাসুলের শানে --- এই শব্দ --- পুরান ঢাকার লোক বলেনাই,  বলেনা,  বলবেওনা --- আমি চ্যালেন্জ করলাম।  আছে কেউ চ্যালেন্জ গ্রহন করার???????¿???
এটা মারাত্বক অন্যায় --- কুফুরি কথা।  
.
আহলে হক সকল মানহাজের বা মাজহাবের ওলামায়েকেরাম এই বুলিকে ভালোভাবে নেন নাই।
.
🌶 ৭) টেস্ট ও টি২০ ইনিংস ক্রিকেটঃ- 
রাসুলুল্লাহ সঃ ও সাহাবা আজমাইনদের প্রথম ১৫ বছর প্রায় কষ্ট আর মেহনতকে, জীবন দেওয়াকে,  মার খাওয়াকে --- নাজায়েজ খেলা ক্রিকেটের টেস্ট খেলার সাথে তুলনা,  ঠ্যাক দেয়া। 
এবং মাদানী কষ্ট আর সাহাবাদের কুরবানী,  হাজার হাজার লক্ষ সাহাবীর জীনব দেওয়ার সময় ও ইসলামের প্রসারের সময়টাকে টি২০ ইনিংস বলা ----
.
আজহারী সাহেব যাই বুঝানোর জন্য বলুন না কেন????  
এটা নাজায়েজ।  আহলে হক সকল মাজহাবের আলেম শায়েখ কেউ এই বক্তব্যের তুলনাকে ভালোভাবে গ্রহন করেন নাই।  
.
যায় হোক লিখলে আরো বড় হবে তাই আর বাড়াবোনা।  
.
🌶🌶 জেনারেলদের বলবো,  আপনি হয়তো জামাত ইসলাম বা মওদুদবাদে বিশ্বাসী হওয়ার কারনে এগুলো সাপোর্ট করছেন।  
আপনি নন মাহরাম হওয়ার পরও আজহারীর চেহারা খুব ভালোলাগে,  হতে পারে তার ইংরেজী বলা ও কথা বলা,  মডার্ন ও মডারেট ইসলাম ভালো লাগে।  
.
কিন্তু এত কিছুর পরও আজহারীর এই ভুলগুলো সাপোর্ট করার সুজোগ নাই।  ইসলাম ব্যক্তিপুজা সাপোর্ট করেনা।  আপনার পীর, আপনার শায়েখ, আপনার হুজুরের কথা যদি আপনার ভালো লাগে,  উপকারী মনে হয় -- তাকে ভালোবাসবেন তার জন্য দোয়া করবেন -- এটাই স্বাভাবিক।  কিন্তু অন্ধের মতো না।  
.
আজহারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ শুধু মাজারপুজারী বা বিদাতিদের নয় -- আলেমদেরও।  শুধু মাজার পুজারী নয় আলেমদেরও।  তাই ওনার উচিত আরো সতর্ক হয়ে ওয়াজ করা। 
.
মাজার পুজারীর কেউ যদি নামাজ পড়া, রোজা রাখা এগুলো ফরজ মনে করে -- তাহলে আপনি কি নামাজ রোজা ছেড়ে দিবেন??????
 
অনেক মাজার বিদাতি ইহুদি খ্রিষ্টান্দের চক্রান্তের বিরুদ্ধে কথা বলে,  তাবলীগ দেখতে পারেনা,  সব শায়েখদের বিরোধিতা করে --- তো কি করবেন ---???  মাজার পুজারির সাথে মিললেই সেটা কথা মানা যাবেনা +-- কুরআন হাদীসে কোথাও এমন হুকুম আছে নাকি????? 
.
🍕🍕 বার বার সবাইকে মাজার পুজারী বলছেন কেন? 
বারবার সবাইকে মাজার পুজারী বলছেন কেন???  
.
এত সাহস কোথায় পান,  চোরের মায়ের বড় গলার মতো।  
.
একজন লিখলো,  আপনি কপি করছেন ,  কারনটা কি ¿?? কাদেরকে মাজারপুজারী বলছেন??????  why?? 
.
#শেষ কথা,  
.
আমরা কি চাই,  যে আজহারী সাহেব ওয়াজ না করুক।  নাহ কখনো না --- এটা আমরা চাইনা,  আমরা চাই উনি ওনার ভুলগুলো সংশোধন করে ভবিষ্যতে আরো সতর্কতার সাথে ওয়াজ করবেন।  উনি এদেশের জনপ্রিয় বক্তা। ওনার ওয়াজ ভালো লাগে। ওনাকে কোনো ইফতা বোর্ড বা গ্রহমযোগ্য মুফতী কাফের বলছে বা ফাতওয়া দিছে -- এমন শুনি নাই।  
.
যারা ওনার ভুলের পক্ষে সাফাইগেয়ে,  ভুলকে স্বীকার না করে, অতিভক্ত সেজে,  উনি যা বলেছে তাঠিক এমন পোস্ট করে, , ওনার কথা বুঝতে হলে উচ্চ শিক্ষিত হতে হবে,  হ্যানত্যান বলছেন-- সমস্ত মুসলিম ও আলেমকে মাজারপুজারী ট্যাগ দিচ্ছেন তারা তাওবা করুন।  এগুলো বাদ দিন।  আবার ভাবুন।  
আমরা কারো বিপক্ষে না। 
.
আমাদেরকে গালি দিয়ে কোন লাভ হবে না।  
আর যারা আজহারীর সাথে ব্যক্তিগত কোন কারনে শত্রুতা বা বিরোধিতা রাখে তাদের সাথে আমাদের সখ্যতা নাই।  
.
আল্লাহ আমাদের কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী আলেমদের নির্দেশনা মত সব মুসলিমকে এক হয়ে চলার তৌফিক দান করেন।  
.
আমীন
Share:

ভন্ড পীরদের কবলে পড়ে ঈমান হারাচ্ছে বহু মুসলিম নারী পুরুষ!


আমাদের সমাজ আজ বিদায়াতে ভরপুর । সঠিক ইসলাম জানার মাধ্যমে আমাদের এই অবস্থা থেকে মুক্ত হতে হবে , যা এখন বাংলাদেশের মুসলিমদের জন্য অতীব প্রয়োজন । বাংলাদেশে এখন অনেক ভণ্ড এবং বিদা’তি পীর রয়েছে যারা আমাদের সঠিক ইসলাম থেকে শধুমাত্র দুরে সরিয়ে রাখছে না বরং আমাদের দেশের সহজ-সরল মানুসগুলোকে মাজারে-পীরের আসরে অনৈতিক কাজে প্রলুব্ধ করে বিদা’তি কর্মে লিপ্ত করছে।এখন তা সমাজে ভাইরাস আকার ধারন করেছে। কুরআন হাদিসের কোথাও রাসুল (সাঃ)ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির নির্দেশ সর্বাবস্থায় বিনাপ্রশ্নে মেনে নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়নি ।

আলেমগন-মুহাদ্দিস-ইমামগনকে মূল্যায়ন করতে হবে শুধুমাত্র কুরআন ও হাদিসের আলোকে । নিজের মন, আবেগ বা অন্য কারো মতামত দিয়ে নয়। আল্লাহ কুরআনে বলেন : “ না, তোমার মালিকের শপথ, এরা কিছুতেই ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না তারা তাদের যাবতীয় মতবিরোধের ফয়সালায় তোমাকে (শর্তহীনভাবে) বিচারক মেনে নেবে, অতপর তুমি যা ফয়সালা করবে সে ব্যাপারে তাদের মনে আর কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকবে না, বরং তোমার সিদ্ধান্ত তারা সর্বান্তকরণে মেনে নেবে।( সূরা নিসা:৬৫)

আল্লাহ পাক আরেক জায়গাতে বলেন,
”যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে,আল্লাহ তায়ালা তাকে এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন,যার নিম্নদেশে ঝর্ণা ধারাসমূহ প্রবাহমান থাকবে। আর যে মুখ ফিরিয়ে নেবে আল্লাহ তাকে মর্মান্তিক আযাব দেবেন। (সুরা ফাতহ:১৭)

এমন যদি হয় কেউ দীনের একটা মাসাআলা বুঝছে না তখন কোন আলেম থেকে তা জেনে নেওয়ার পর কুরান এবং হাদীস থেকে তার রেফেরেন্স মিলিয়ে নিতে হবে। কেননা আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ”তোমরা যদি না জেনে থাক তাহলে জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞাসা কর।”(সুরা নাহল:৪৩)

আলেমদের কাছ থেকে জানার পর রেফেরেন্স মিলিয়ে যখন দেখা যাবে তা সহীহ তখন তা আমল করবেন । আর যখন দেখা যাবে তা সহীহ নয় তখন তা আমল করা যাবে না। এভাবেই একজন ব্যক্তি বুঝতে পারবে কে সত্তিকার অর্থে “আলেম” এবং কে “ভণ্ড” ।অথচ আমরা তা না করে ভণ্ড পীর-মাজার পুজারীদের কথা শুনে নিজেকে বিদা’তি কর্মে লিপ্ত করি।

আমরা আমাদের বিবেগকে একটু খাটিয়ে ভাবলেই দেখি যে, রাসুল(সঃ) কে আল্লাহ দুনিয়ায় সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়েছিলেন । অথচ সেই রাসুল(সঃ) এর জীবন ও কর্ম এর সাথে এই সমস্ত ভণ্ড পীরগুলোর চরিত্রের কোন মিল নেই। কখনও ভেবে দেখেছেন কি রাসুল(সঃ) পরিচালিত জীবন এবং এই সকল ভণ্ডপীরদের পরিচালিত জীবনের মধ্যে এত তফাৎ কেন?এদের বিলাসিতা জীবন পরিচালন কি আপানার মনে কোন প্রশ্নের জন্ম দেয় না ?

এরা কতোটুকু সহিহভাবে কুরআন-সুন্নাহ অনুসরণ করছে ? আপনি কখনও কুরআন-হাদীস দিয়ে তা মিলিয়ে দেখেছেন কি ? এইসকল পীর কি আপনাকে জান্নাত দিতে পারে,নাকি আল্লাহর দয়া ও রাসুল(সঃ)এর সহিহ সুন্নাত এবং পরিপূর্ণ জীবন বিধান ‘আল-কুরাআন” আপনাকে জান্নাত দিবে ? অবশ্যই পরিপূর্ণ জীবন বিধান ‘আল-কুরাআন” ই আপনাকে জান্নাত দিবে।

মাজারে সিজদা দেওয়া , গানের আসর জমিয়ে গাঁজাখানার আড্ডা এগুলো রাসুল(সঃ) এর সুন্নাহ’র মধ্যে পড়ে না।এগুলো করা শিরিক গুনাহ। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,”সাবধান ! তোমাদের পূর্বের যুগের লোকেরা তাদের নবী ও নেককার লোকদের কবর সমূহ মসজিদ (সিজদার স্থান) হিসেবে গন্য করতো। তবে তোমরা কিন্তু কবর সমূহকে সিজদার স্থান বানাবে না। আমি এরূপ করতে তোমাদের নিষেধ করে যাচ্ছি” । [মুসলিম, ১০৭৭]

রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরও বলেন,”তোমরা স্বীয় ঘরকে কবর বানিয়োনা। (অর্থাৎ কবরের ন্যায় ইবাদত-নামায, তেলাওয়াত ও যিকির ইত্যাদি বিহীন করনা।) এবং আমার কবরে উৎসব করোনা।(অর্থাৎ বার্ষিক, মাসিক বা সাপ্তাহিক কোন আসরের আয়োজন করনা। তবে হ্যাঁ আমার উপর দুরূদ পাঠ কর। নিশ্চয় তোমরা যেখানেই থাক না কেন তোমাদের দুরূদ আমার নিকট পৌঁছে থাকে।(আল্লাহ তায়ালার ফেরেশতারা পৌঁছিয়ে দেন।)”
(সুনানে আবু দাউদ: হাদিস নং-২০৪৪/৪০)

কবরের সামনে বাতি প্রজ্জ্বলন করাকে হারাম সাব্যস্ত করে রাসূলে কারীম সাঃ ইরশাদ করেন-“হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর নবী সাঃ অভিশপ্ত করেছেন (বেপর্দা) কবর যিয়ারতকারীনী মহিলাদের উপর, এবং সেসব লোকদের উপর যারা কবরকে মসজিদ বানায় (কবরকে সেজদা করে) এবং সেখানে বাতি প্রজ্জ্বলিত করে।(জামি তিরমীযী-২/১৩৬)

আল্লাহ ছাড়া কারো নামে মান্নত বা কুরবানী করা যায়না। কারণ মান্নত ও কুরবানী হচ্ছে এক মাত্র অাল্লাহর জন্য ৷
Share:

Definition List

Unordered List

Support